221 total views, 1 views today

সরকারি চাকুরির বয়সসীমা নিয়ে সুখবর দিলেন জনপ্রশাসন মন্ত্রনালয়ের প্রতিমন্ত্রী:

 

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ইশতেহারে সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়স বাড়ানোর কথা উল্লেখ করেছিল বর্তমান ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ। বিষয়টি মাননীয় প্রধাণমন্ত্রীর অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে বলে জানালেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন।
সরকারি চাকরির বয়সসীমা বাড়ানোর বিষয়টি আওয়ামী লীগ ও বিপনপি দুই দলের ইশতেহারের গুরুত্ব সাথে ছিল। কিন্তু নির্বাচনে জয়ী দল এবার নির্বাচনের ইশতেহার বাস্তবায়ন কতটা কার্যকারী পদক্ষেপ নেবে সেটা নিয়ে সকলের মধ্যে মতবিভেদ রয়েছে।

চাকরির বয়স বাড়ানো নিয়ে সরকারের অবস্থান বিষয়ে জানতে চাইলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেন, ইশতেহারে এ বিষয়ে (বয়স বৃদ্ধি) আলোচনা এসেছে। প্রধানমন্ত্রী নিশ্চয়ই এ বিষয়টি ক্লিয়ার করবেন। একটু ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করতে হবে।

মন্ত্রণালয়ে কোনো কার্যক্রম আছে কিনা- প্রশ্নে ফরহাদ হোসেন বলেন, প্রধানমন্ত্রী আমাদের জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কেই নির্দেশনা দেবেন। আমরা নির্দেশনার অপেক্ষায় আছি। প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিলে তখন আমরা কাজ শুরু করবো।

জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী যেহেতু ঘোষণা দিয়েছেন, যত দ্রুত সম্ভব এটা হবে। যখন এটা ঘোষণা করা হয়েছে এর মানে অনেক চিন্তা-ভাবনা সুপরিকল্পনা করেই ঘোষণা করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, গতবছরের শেষ দিকে বয়স বাড়ানোর প্রস্তাব ৩২ বছর করার উদ্যোগ নেওয়া হলেও সেটিতে অগ্রগতি হয়নি। তবে চাকরিপ্রত্যাশীরা গড় আয়ু বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বাড়ানোর দাবি জানিয়ে আসছেন।

১৯৯১ সালের জুলাইয়ে সরকারি চাকরিতে প্রবেশের সর্বোচ্চ বয়সসীমা ২৭ বছর থেকে বাড়িয়ে ৩০ বছর করা হয়েছিল। আর অবসরের বয়স নির্ধারণ করা হয়েছিল ৫৭ বছর। পরবর্তীতে সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়স ৩০ বছর এবং অবসরের বয়স ৫৯ বছর। যা এখনো বিদ্যামান রয়েছে।

  • এদিকে, মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বর্তমান বয়সসীমা ৩২ বছর।
আপনার মতামত লিখুনঃ
error: Content is protected !!