110 total views, 1 views today

Primary school teacher circular 2019 – তৃতীয় দফায় পেছালো সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ‘সহকারী শিক্ষক’নিয়োগ পরীক্ষা:

 

আগামী ১৫ মার্চ থেকে শুরু হতে যাওয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ‘সহকারী শিক্ষক’নিয়োগের লিখিত পরীক্ষার সময়সূচি পেছাল প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর (ডিপিই)। রবিবার ২ মার্চ মন্ত্রণালয়ের নিয়োগ-সংক্রান্ত সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়য়েছে।

আগামী ১৩ মার্চ ‘জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ ২০১৯’ পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়ায় পরীক্ষা পেছানো কথা উল্লেখ প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে মহাপরিচালক এ এফ এম মনজুর কাদির জানান, প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা আগামী ১৫ মার্চ থেকে শুরু করতে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে নির্দেশনা দেওয়া হয়। আবেদনকারী বেশি হওয়ায় কয়েকটি ধাপে নিয়োগ পরীক্ষা সম্পন্ন করার প্রস্তুতিও গ্রহণ করা হয়। কিন্তু আগামী ১৩ মার্চ জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ-২০১৯ পালন করার সিদ্ধান্ত হওয়ায় তা আবারও পিছিয়ে দেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, ২৭ ফেব্রুয়ারি জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ পালন করার সিদ্ধান্ত নেয়া হলেও প্রধানমন্ত্রী এদিন সময় দিতে না পারায় তা পিছিয়ে দেয়া হয়। বর্তমানে প্রধানমন্ত্রীর সম্মতি পাওয়ায় আগামী ১৩ মার্চ তা পালনের প্রস্তুতি চলছে। এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে প্রধানমন্ত্রী উপস্থিত থেকে জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহের উদ্বোধন করবেন।

কবে শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা শুরু করা হবে জানতে চাইলে মহাপরিচালক বলেন, আপাতত শিক্ষা সপ্তাহ আয়োজন নিয়ে সবাই ব্যস্ত রয়েছে। এ অনুষ্ঠান শেষে মন্ত্রণালয়ের সভা করে শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার সময় পুনরায় নির্ধারণ করা হবে। তবে মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্রে জানা গেছে মার্চের শেষে অথবা এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহে নিয়োগ পরীক্ষা শুরু হতে পারে।

উল্লেখ্য, এর আগে গত বছরের ডিসেম্বর মাসে নিয়োগ পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা থাকলেও নানা কারণে তা পিছিয়ে যায়। এরপর চলতি বছরের ১ ফেব্রুয়ারি থেকে পরীক্ষা শুরুর সিদ্ধান্ত হলেও এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার জন্য ফের পিছিয়ে মার্চে নেয়া হয়। তখন ডেট পেছানোর কারণ হিসেবে পরীক্ষা পদ্ধতিতে আমূল পরিবর্তন আনার কথা জানিয়েছিল মন্ত্রনালয় থেকে।

জানা গেছে, এবার নিয়োগ পরীক্ষা সম্পূর্ণ ডিজিটালাইজড পদ্ধতিতে নেয়া হবে। নির্ধারিত জেলায় পরীক্ষা আয়োজনের আগের রাতে ইন্টারনেটের মাধ্যমে জেলা প্রশাসকের কাছে প্রশ্নপত্রের সব সেট পাঠানো হবে। পরীক্ষার দিন সকাল ৮টায় প্রশ্নপত্র ছাপিয়ে তা কেন্দ্রে পৌঁছে দেয়া হবে।

ডিপিইর কর্মকর্তারা জানান, সারা দেশে প্রায় ৬৪ হাজার ৮২০ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মধ্যে প্রায় ১২ হাজার সহকারী শিক্ষক শূন্য রয়েছে। যার বিপরিতে ২৪ লাখের বেশি আবেদন পত্র জমা পড়েছে। প্রার্থীদের প্রথমবারের মতো লিখিত পরীক্ষা কয়েকটি ধাপে অনুষ্ঠিত হবে।

Primary school teacher circular 2019 প্রার্থীরা dpe.teletalk.com.bd ওয়েবসাইট থেকে প্রবেশপত্র ডাউনলোড করতে পারবেন। এ ছাড়া ওএমআর শিট পূরণের নির্দেশাবলি এবং পরীক্ষাসংক্রান্ত অন্যান্য তথ্য ওয়েবসাইটে www.dpe.gov.bd পাওয়া যাবে।

আপনার মতামত লিখুনঃ
error: Content is protected !!